নোটিশ :
জরূরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: সারাদেশ ব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: 01753741909, সিভি পাঠান:  crimejanata24@gmail.com
ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভোট চুরি করে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারে না, প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে নানা দুর্ভোগ মাড়িয়ে বাড়ির পথে মানুষের ঢল। হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট ও দেয়াল ভেঙে ফেলার অভিযোগ । হিজলায় নব- নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা  হিজলায় অসহায় পরিবারকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে  হামলা ও ভাংচুর  হিজলায় স্বাভাবিক প্রসব সেবা জোরদারকরণ বিষয়ক অভিহিতকরণ কর্মশালা  শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ। বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন সমাবেশে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। স্বামীর জমানো টাকা নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও  বনে আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে প্রতিবার করা হয় তদন্ত কমিটি।
বাংলাদেশ নিয়ে চীন-রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের জায়গা কোথায়?

বাংলাদেশ নিয়ে চীন-রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের জায়গা কোথায়?

কানাডাভিত্তিক অনলাইন প্রকাশনা ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ অনুসারে, বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যদি ধরে রাখা যায় তাহলে মধ্যম শক্তিশালী দেশ হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। একই সাথে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় বাজারও। যার কারণে এর প্রতি সুপার পাওয়ার দেশগুলো বিনিয়োগের আগ্রহ বেড়েছে।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের অংশ যা ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ফলে এটি অনেকটা ‘স্ট্রাটেজিক লাইন অব কমিউনিকেশন’ বা ‘সাপ্লাই লাইন অব কমিউনিকেশন’ হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এই শিক্ষক। এ কারণে বঙ্গোপসাগেরের গুরুত্ব অনেক।

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং সমর বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ মাহমুদ আলী মনে করেন, চীন-রাশিয়া-আমেরিকার দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ আসলে ‘গৌণ বা উপলক্ষ্য’ মাত্র।

তার মতে, বাংলাদেশের মেরুকরণের ক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আর ঘনিষ্ঠতর হওয়া এবং এর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আমেরিকার অবস্থান।

মাহমুদ আলী বলেন, স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ৯০ এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর সারা বিশ্বে ইউনিফর্ম বা একক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সেই আধিপত্য পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত চলেছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ের শক্তিশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, চীন, এরা সবাই তখন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রপক্ষের দেশ ছিল। বিপক্ষে কেউ না থাকার কারণে আমেরিকা প্রায় প্রতিদ্বন্দ্বীহীন ছিল।

তার বিশ্লেষণ হচ্ছে, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভূক্ত হওয়া এবং দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক শক্তি বাড়ানোর মতো ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পষ্ট হয়ে আসে যে যুক্তরাষ্ট্র আর একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে পারছে না। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন-রাশিয়ার মধ্যে একধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সামনে আসে।

সৈয়দ মাহমুদ আলী বলেন, যেহেতু ক্ষমতার একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই তিনটি রাষ্ট্রের মধ্যে চলছে, তাই বলা যেতে পারে বাংলাদেশ একটি গৌণ বা পরোক্ষভাবে একটি প্রতিদ্বন্দ্বীতার কেন্দ্র বা স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2024 Crimejanata24.Com
Design & Development: Hostitbd.Com